পিরোজপুর প্রতিনিধি:
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্জিত গণতন্ত্র রক্ষায় প্রহরীর মতো প্রস্তুত থাকবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম। জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।
Google News অনুসরণ করুন
শনিবার (১৭ অক্টোবর) পিরোজপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের পিরোজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
জেলা শাখার আহ্বায়ক গাজী কামরুজ্জামান শুভ্রর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) ইঞ্জিনিয়ার মো. জুয়েল খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. জুয়েল খান বলেন, জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে সংগঠনকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে দেশব্যাপী সাংগঠনিক সফর পরিচালনা করা হচ্ছে। দেশের যেকোনো সংকটে মুক্তিযুদ্ধের সন্তানেরা রাজপথে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধের সন্তানদের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক তরুণ সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে আগামী দিনে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে।
সভায় বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মেদ শহীদুল হক চান, পিরোজপুর জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. সালাম বাতেন এবং পিরোজপুর জেলা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিদ্দিকুল আলম (পাশা)।
এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্য গোলাম মুক্তাদির মুরাদ, খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এইচ এম খলিলুর রহমান, বরিশাল মহানগর শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আমানুজ্জামান খান এবং বরিশাল জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম ভুট্টো।
সভায় বক্তারা জানান, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বরিশালে অনুষ্ঠিতব্য বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে পিরোজপুরের প্রতিটি উপজেলায় শিগগিরই কর্মীসভা আয়োজন করা হবে। এসব সভার মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ও প্রস্তাবিত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতাকর্মী এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী পরিবারের সদস্যরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন।



