নিজস্ব প্রতিবেদক:
পিরোজপুর সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করেছেন তরুণ সমাজকর্মী ও শিক্ষক নেতা মাস্টার হুমায়ুন কবির সরদার। দুর্গোৎসবের উৎসবমুখর পরিবেশে তিনি ইউনিয়নের একাধিক পূজামণ্ডপে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন, তাঁদের খোঁজখবর নেন এবং পূজার সার্বিক আয়োজন সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
Google News অনুসরণ করুন
পরিদর্শনকালে মাস্টার হুমায়ুন কবির সরদার বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান। তিনি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, সেবায়েত ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উৎসবের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘনভাবে উদযাপনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন পূজামণ্ডপে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন, যা উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে প্রতীয়মান হয়।
তিনি বলেন, ধর্মীয় উৎসব কেবল একটি সম্প্রদায়ের নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্যের এক অনন্য উপলক্ষ। সমাজের সকল মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হলে সম্প্রীতির বন্ধন আরও শক্তিশালী হবে।
শারদীয় দুর্গোৎসব হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। প্রতি বছরের মতো এবারও শিকদার মল্লিক ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, পূজা-অর্চনা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে উৎসব উদযাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে পূজামণ্ডপগুলো প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে।
পরিদর্শন চলাকালে মাস্টার হুমায়ুন কবির সরদার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন। তিনি পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সার্বিক ব্যবস্থাপনা, দর্শনার্থীদের সুবিধা এবং উৎসবের পরিবেশ সম্পর্কে আলোচনা করেন।
স্থানীয়রা জানান, উৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক অংশগ্রহণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় সামাজিক সম্প্রীতির ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।
এ সময় শিকদার মল্লিক ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণ, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজের বিশিষ্টজন এবং বিপুলসংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী উপস্থিত ছিলেন।




