পিরোজপুর প্রতিনিধি:
পিরোজপুর সদর উপজেলার শিকদার মালিক ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সরদার কামরুজ্জামান চানকে আগামী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এই নেতাকে এবার উপজেলা পর্যায়ে নেতৃত্বে দেখতে চান তারা।
Google News অনুসরণ করুন
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, সরদার কামরুজ্জামান চান বিএনপির একজন ত্যাগী ও লড়াকু সৈনিক হিসেবে পরিচিত। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যখন অনেকেই রুখে দাঁড়াতে পারেননি, তখনও তিনি বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং কারাবরণ করেছেন বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে গরিব-দুঃখী ও মেহনতি মানুষের পাশে থাকার কারণে তিনি এলাকায় জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন বলেও জানান তারা।
দলীয় পরিচয়: সরদার কামরুজ্জামান চান পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি পিরোজপুর সদর উপজেলার শিকদার মালিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
আন্দোলন ও ত্যাগ: দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের কারণে তিনি নিয়মিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন বলে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের দাবি। গত ২০২৪ সালের মার্চে লিফলেট বিতরণের ঘটনায় তার নামে মামলা হলে তিনি এর প্রতিবাদ জানান। এছাড়া রাজনৈতিক কর্মসূচি ও হরতালের সময় দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া ব্যাপক গ্রেপ্তারের ঘটনায়ও তার বক্তব্য বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
জনমুখী কাজ: বিএনপির পক্ষ থেকে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের মতো বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতেও তিনি সরাসরি অংশ নিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করার কারণে এলাকায় তার একটি জনসম্পৃক্ততা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ মনে করেন, সরদার কামরুজ্জামান চানকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী করা হলে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারবেন। এ কারণে আগামী উপজেলা নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান তারা।
তবে উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে সরদার কামরুজ্জামান চানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত কিংবা দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।



